৮ এপ্রিল ২০২৬ - ১৪:৪৭
ইরানকে এক রাতে ‘নিশ্চিহ্ন’ করার হুমকির আড়ালে ট্রাম্পের ব্যর্থতার স্বীকারোক্তি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দাবি করেছে, তার আলটিমেটাম অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় মঙ্গলবারই সেই রাত হতে পারে/অন্যদিকে নিজেই স্বীকার করছে, ইরানের ভূপ্রকৃতি ও অবস্থান সম্পর্কে তারা আগে ধারণাই করেনি এবং মার্কিন বাহিনী সেখানে আটকা পড়েছে।

আহলে বাইত (আ.) বার্তা সংস্থা (আবনা): হোয়াইট হাউসে সংবাদ সম্মেলনে ট্রাম্প দাবি করে, ইরানে আটকে পড়া মার্কিন বিমানবাহিনীর সদস্যদের উদ্ধার অভিযান ‘ঐতিহাসিক’। তবে স্বীকার করে, “আমরা জানতাম না ওই অঞ্চলের মাটি বালুময়। জানতাম না ওই এলাকা কোথায়—এটি ইরানের সবচেয়ে কঠিন স্থানগুলোর একটি এবং আমরা সেখানে আটকে পড়ব!”

ট্রাম্প বলে, “আমি ইরানিদের কাজ দেখে খুবই বিস্মিত হয়েছি—তারা আমাদের জন্য ওঁৎ পেতে ছিল এবং তারা বারবার মার্কিন যুদ্ধবিমানগুলোকে লক্ষ্য করে আঘাত করেছে।

উদ্ধার অভিযানে ২১টি মার্কিন বিমান অংশ নিয়েছে জানিয়ে ট্রাম্প বলে, একটি ‘লাকি শটে’ (ভাগ্যক্রমে গুলি লেগেছে) বিমান বিধ্বস্ত হয়েছিল। তবে স্বীকার করে, “এই মুহূর্তে হয়তো আমাদের বেশ কিছু হেলিকপ্টারে তাদের গুলির দাগ আছে।”

ইরানকে দেওয়া আলটিমেটাম সম্পর্কে ট্রাম্প বলেছে, আত্মসমর্পণ না করলে “তাদের কোনো সেতু থাকবে না, কোনো বিদ্যুৎকেন্দ্র থাকবে না—কিছুই থাকবে না।” তবে ঠিক পরের বাক্যেই তিনি বলেছে, “আমি এর বেশি এগোব না। কারণ এর চেয়েও বড় আরো কিছু বিষয় আছে।”

ইরানের তেল দখলের ইঙ্গিত দিয়ে ট্রাম্প বলে, “আমার হাতে সুযোগ থাকলে আমি সেখান থেকে তেল নিয়ে আসতাম। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে আমেরিকার জনগণ চায় আমরা দেশে ফিরে আসি। যদি আমার ওপর নির্ভর করত, আমি তাদের সব তেল নিয়ে নিতাম, সেটি নিজের কাছে রাখতাম। অনেক অর্থ উপার্জন করতাম এবং একই সঙ্গে ইরানের জনগণের দেখভালও করতাম”।

হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়া না হলে ইরানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র ও সেতু গুড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া হুমকিতে তিনি অশালীন শব্দ ব্যবহার করেছিল। সেই প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলে, আসলে সে বিষয়টির গুরুত্ব বোঝাতে চেয়েছিল।

Tags

Your Comment

You are replying to: .
captcha